রাজধানীর মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সেবা গ্রহণে অনিয়ম, হয়রানি ও ঘুষ দাবির অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। কয়েকজন সেবাগ্রহীতা ও স্থানীয়দের অভিযোগ, দলিল নিবন্ধনের বিভিন্ন ধাপে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয় এবং তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নানা অজুহাতে ফাইল আটকে রাখা বা বিলম্বের ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুল কাদির ও সহকারী সাব-রেজিস্ট্রার হারিসের নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, অফিসের কার্যক্রমে দালালচক্রের প্রভাব রয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, নির্ধারিত সরকারি ফি ছাড়াও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
এ ছাড়া, দুই কর্মকর্তার সম্পদ ও আর্থিক লেনদেন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।
স্থানীয়দের মতে, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
তবে এ প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুল কাদির ও সহকারী সাব-রেজিস্ট্রার হারিসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল।
আপনার মতামত লিখুন