আলোকিত গণমাধ্যম
সর্বশেষ

সমবায় মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সিদ্দিক আল-মামুন

ফেনীর রাজাবীর দীঘির দক্ষিণ পাড়, জেল রোডে অবস্থিত সমবায় সুপার মার্কেট-১ ব্যবসায়ী সমিতির নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাংবাদিক সিদ্দিক আল-মামুন। ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, মার্কেটের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির নথি অনুযায়ী এটি বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাংবাদিক সিদ্দিক আল-মামুন। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মিজানুর রহমান। কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পেয়েছেন নিমাই পাল। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, নতুন কমিটির নেতৃত্বে সমবায় সুপার মার্কেট-১-এর ব্যবসায়িক পরিবেশ আরও সুন্দর ও সুশৃঙ্খল হবে। মার্কেটের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে কমিটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলেও প্রত্যাশা তাদের। নতুন সভাপতি সাংবাদিক সিদ্দিক আল-মামুনের নেতৃত্বে ব্যবসায়ী সমিতির কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন। মার্কেটটি রাজাবীর দীঘির দক্ষিণ পাড়, জেল রোড, ফেনীতে অবস্থিত। নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিতে সভাপতি সিদ্দিক আল-মামুন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান এবং কোষাধ্যক্ষ নিমাই পাল। সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন আহসান উল্লাহ ও নজরুল ইসলাম। সাংগঠনিক দায়িত্বে রয়েছেন সোহেল আহমেদ। সদস্য হিসেবে রয়েছেন সাহাদাত হোসেন ও সাইফুল ইসলাম। কমিটির তালিকায় রিপন পালের একটি পদও উল্লেখ রয়েছে। উপদেষ্টামণ্ডলীতে রয়েছেন ড. সহিদুল ইসলাম, আজাদ, শাহজাহান সাজু, পেয়ার আম্মাদ, ফারুক আহাম্মদ, বাদলীয়, হারুন মুসলিম ও রাখাল বাবু। ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, নতুন কমিটি মার্কেটের শৃঙ্খলা, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

পিছিয়ে পড়ছে দেশের সম্ভাবনাময় এসএমই খাত

স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল 'মাছরাঙা টেলিভিশন' গৌরবময় সাফল্যের ১৫ বছর পূর্ণ করেছে। এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ফেনীতে 'মাছরাঙা' টেলিভিশনের ১৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে ফেনী প্রেসক্লাবে মাছরাঙা টেলিভিশনের রিপোর্টার জমির বেগের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রিফাত আসমা।বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান পিপুল।

বাজেটে কৃষি খাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি

স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল 'মাছরাঙা টেলিভিশন' গৌরবময় সাফল্যের ১৫ বছর পূর্ণ করেছে। এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ফেনীতে 'মাছরাঙা' টেলিভিশনের ১৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে ফেনী প্রেসক্লাবে মাছরাঙা টেলিভিশনের রিপোর্টার জমির বেগের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রিফাত আসমা।বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান পিপুল।

ঈদের আগেই মিলবে ২০, ৫০ ও ১০০০ টাকার নতুন নোট

স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল 'মাছরাঙা টেলিভিশন' গৌরবময় সাফল্যের ১৫ বছর পূর্ণ করেছে। এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ফেনীতে 'মাছরাঙা' টেলিভিশনের ১৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে ফেনী প্রেসক্লাবে মাছরাঙা টেলিভিশনের রিপোর্টার জমির বেগের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রিফাত আসমা।বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান পিপুল।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

দাগনভূঞায় চোর চক্রের ৩ সদস্যকে হাতেনাতে ধরে গণধোলাই

দাগনভূঞায় চোর চক্রের ৩ সদস্যকে হাতেনাতে ধরে গণধোলাই

ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহ দিতে ফেনীতে সোনালী ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ ক্যাম্পেইন

ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহ দিতে ফেনীতে সোনালী ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ ক্যাম্পেইন

​ফেনীতে মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ গঠনে সিভিল সোসাইটির সাথে মতবিনিময় ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত

​ফেনীতে মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ গঠনে সিভিল সোসাইটির সাথে মতবিনিময় ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত

সমবায় মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সিদ্দিক আল-মামুন

সমবায় মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সিদ্দিক আল-মামুন

চামড়া সংরক্ষণে  বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার

দাগনভূঞায় চেতনানাশক খাইয়ে অজ্ঞান করে দুটি ঘরে দুধর্ষ চুরি, হাসপাতালে দুজন

দাগনভূঞায় চেতনানাশক খাইয়ে অজ্ঞান করে দুটি ঘরে দুধর্ষ চুরি, হাসপাতালে দুজন

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!

অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!

ফেনীতে জুয়ার আসার থেকে ১৫ জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

ফেনীতে জুয়ার আসার থেকে ১৫ জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুবদল নেতা হাবিবুর রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুবদল নেতা হাবিবুর রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সমবায় মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সিদ্দিক আল-মামুন

সমবায় মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সিদ্দিক আল-মামুন

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য তাড়াহুড়া নেই: হুমায়ুন কবির

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য তাড়াহুড়া নেই: হুমায়ুন কবির

মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, আরও পরিবর্তনের সম্ভাবনা

মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, আরও পরিবর্তনের সম্ভাবনা

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন ব্যারিস্টার পার্থ

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন ব্যারিস্টার পার্থ

দাগনভূঞায় চেতনানাশক খাইয়ে অজ্ঞান করে দুটি ঘরে দুধর্ষ চুরি, হাসপাতালে দুজন

দাগনভূঞায় চেতনানাশক খাইয়ে অজ্ঞান করে দুটি ঘরে দুধর্ষ চুরি, হাসপাতালে দুজন

দাগনভূঞায় চেতনানাশক খাইয়ে অজ্ঞান করে দুটি ঘরে দুধর্ষ চুরি, হাসপাতালে দুজন

দাগনভূঞায় চেতনানাশক খাইয়ে অজ্ঞান করে দুটি ঘরে দুধর্ষ চুরি, হাসপাতালে দুজন

দাগনভূঞায় চোর চক্রের ৩ সদস্যকে হাতেনাতে ধরে গণধোলাই

দাগনভূঞায় চোর চক্রের ৩ সদস্যকে হাতেনাতে ধরে গণধোলাই

দাগনভূঞায় চোর চক্রের ৩ সদস্যকে হাতেনাতে ধরে গণধোলাই

দাগনভূঞায় চোর চক্রের ৩ সদস্যকে হাতেনাতে ধরে গণধোলাই

​ফেনীতে মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ গঠনে সিভিল সোসাইটির সাথে মতবিনিময় ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত

​ফেনীতে মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ গঠনে সিভিল সোসাইটির সাথে মতবিনিময় ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

বিগত ১৭ বছরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।রোববার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রথম কর্মদিবসে স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, গত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনার কারণে দেশের দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। আমার মূল লক্ষ্য হবে দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন পূরণ এবং তাদের কাছে সরকারি সেবা যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত করে এর পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রায় ৫০টি মন্ত্রণালয় রয়েছে। তবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় অন্য মন্ত্রণালয়গুলোর তুলনায় ব্যতিক্রম। কারণ, সরকারের মূল উদ্দেশ্য জনগণের সেবা করা এবং এ মন্ত্রণালয় সরাসরি জনগণের সঙ্গে কাজ করে। স্থানীয় সরকারব্যবস্থা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি সঠিকভাবে কাজ করলে রাষ্ট্রের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাও কার্যকর হবে।তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় জনগণের কাছে সঠিকভাবে সেবা পৌঁছে দিতে পারলে এর সুফল পুরো দেশ ও সরকার পাবে। এই লক্ষ্য নিয়েই আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। স্থানীয় সরকার বিষয়ে অভিজ্ঞ প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের কাছ থেকেও তিনি অনেক কিছু শিখবেন বলে মন্তব্য করেন।কর্মকর্তাদের উদ্দেশে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, সরকার অত্যন্ত ক্ষমতাশালী হলেও এই ক্ষমতা সরকারের নিজস্ব নয়। জনগণই এ ক্ষমতার উৎস। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণ যাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় পাঠায়, তারাই সরকার পরিচালনা করেন। জনগণের দেওয়া সেই ক্ষমতা যথাযথভাবে ব্যবহার করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, দেশের সচ্ছল মানুষ নিজেদের অনেক প্রয়োজন নিজেরাই পূরণ করতে পারেন। কিন্তু দরিদ্র মানুষ সরকারি সহায়তা ও সেবার ওপর বেশি নির্ভরশীল। তাই তাদের অধিকার ও প্রয়োজন নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশে এখনো বিপুলসংখ্যক মানুষ কোনো না কোনোভাবে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। বিগত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনায় দরিদ্র মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাদের জীবনমান উন্নয়নে তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।নিজের রাজনৈতিক আদর্শের প্রসঙ্গ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম জড়িয়ে আছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতি যখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় ছিল, তখন জিয়াউর রহমান সাহসের সঙ্গে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং সম্মুখ সমরে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশবাসী তাকে ‘বীর উত্তম’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।তিনি বলেন, তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাধ্যমে রাজনীতিতে এসেছিলেন এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন ছিলেন।স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া নিজের জন্য একটি গুরুদায়িত্ব উল্লেখ করে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, জনগণের সঙ্গে মিশে, তাদের কাতারে দাঁড়িয়ে এবং প্রতিমন্ত্রীর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি দেশের সেবা করতে চান।এ সময় মন্ত্রী অতীতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তখন বিচারকদের স্বাধীনভাবে রায় লেখার সুযোগ ছিল না। মন্ত্রণালয় থেকে রায় লিখে দেওয়া হতো। আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে জনগণের কাছে কার্যকরভাবে সেবা পৌঁছে দিতে চাই৷ এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

বিগত ১৭ বছরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।রোববার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রথম কর্মদিবসে স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, গত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনার কারণে দেশের দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। আমার মূল লক্ষ্য হবে দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন পূরণ এবং তাদের কাছে সরকারি সেবা যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত করে এর পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রায় ৫০টি মন্ত্রণালয় রয়েছে। তবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় অন্য মন্ত্রণালয়গুলোর তুলনায় ব্যতিক্রম। কারণ, সরকারের মূল উদ্দেশ্য জনগণের সেবা করা এবং এ মন্ত্রণালয় সরাসরি জনগণের সঙ্গে কাজ করে। স্থানীয় সরকারব্যবস্থা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি সঠিকভাবে কাজ করলে রাষ্ট্রের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাও কার্যকর হবে।তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় জনগণের কাছে সঠিকভাবে সেবা পৌঁছে দিতে পারলে এর সুফল পুরো দেশ ও সরকার পাবে। এই লক্ষ্য নিয়েই আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। স্থানীয় সরকার বিষয়ে অভিজ্ঞ প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের কাছ থেকেও তিনি অনেক কিছু শিখবেন বলে মন্তব্য করেন।কর্মকর্তাদের উদ্দেশে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, সরকার অত্যন্ত ক্ষমতাশালী হলেও এই ক্ষমতা সরকারের নিজস্ব নয়। জনগণই এ ক্ষমতার উৎস। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণ যাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় পাঠায়, তারাই সরকার পরিচালনা করেন। জনগণের দেওয়া সেই ক্ষমতা যথাযথভাবে ব্যবহার করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, দেশের সচ্ছল মানুষ নিজেদের অনেক প্রয়োজন নিজেরাই পূরণ করতে পারেন। কিন্তু দরিদ্র মানুষ সরকারি সহায়তা ও সেবার ওপর বেশি নির্ভরশীল। তাই তাদের অধিকার ও প্রয়োজন নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশে এখনো বিপুলসংখ্যক মানুষ কোনো না কোনোভাবে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। বিগত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনায় দরিদ্র মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাদের জীবনমান উন্নয়নে তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।নিজের রাজনৈতিক আদর্শের প্রসঙ্গ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম জড়িয়ে আছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতি যখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় ছিল, তখন জিয়াউর রহমান সাহসের সঙ্গে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং সম্মুখ সমরে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশবাসী তাকে ‘বীর উত্তম’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।তিনি বলেন, তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাধ্যমে রাজনীতিতে এসেছিলেন এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন ছিলেন।স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া নিজের জন্য একটি গুরুদায়িত্ব উল্লেখ করে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, জনগণের সঙ্গে মিশে, তাদের কাতারে দাঁড়িয়ে এবং প্রতিমন্ত্রীর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি দেশের সেবা করতে চান।এ সময় মন্ত্রী অতীতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তখন বিচারকদের স্বাধীনভাবে রায় লেখার সুযোগ ছিল না। মন্ত্রণালয় থেকে রায় লিখে দেওয়া হতো। আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে জনগণের কাছে কার্যকরভাবে সেবা পৌঁছে দিতে চাই৷ এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

সব বিভাগের খবর

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য তাড়াহুড়া নেই: হুমায়ুন কবির

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য কোনো তাড়াহুড়া নেই বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় অগ্রগতি হওয়ার পর উপযুক্ত সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করবেন। তবে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে।আজ শনিবার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।গতকাল শুক্রবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ রাখব। আমরা একটি ইতিবাচক সম্পর্ক চাই। তবে তা করতে হবে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে।’ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ঢাকা নয়াদিল্লির সঙ্গে ইতিবাচক ও কার্যকর সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তবে বাংলাদেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে এ ধরনের সম্পৃক্ততা হতে পারে না।হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে একটি ইতিবাচক সম্পর্ক চাই। কেন চাইব না? তারা আমাদের প্রতিবেশী। আমাদের একটি কার্যকর সম্পর্ক থাকা উচিত।’ তিনি আরও বলেন, ‘শুধু ভারতের সঙ্গে নয়, কোনো দেশের সঙ্গেই আমরা আমাদের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে আপস করে কিছু করতে পারি না।’প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের সময়সূচি সম্পর্কে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারপ্রধান পর্যায়ে সফরের জন্য তাড়াহুড়া করার কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, ‘আগামীকাল যদি আমরা আমাদের জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারি, তাহলে আগামী সপ্তাহে বা তার পরের সপ্তাহেই আমরা যেতে পারি। এখানে কোনো তাড়াহুড়া নেই।’হুমায়ুন কবির বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের সফরের জন্য যথাযথ প্রস্তুতি, গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা এবং প্রয়োজনীয় পূর্বপ্রস্তুতি দরকার। তিনি বলেন, দুই দেশের সরকারপ্রধানের বৈঠকের আগে উভয় পক্ষকে প্রয়োজনীয় ভিত্তি তৈরি করতে হবে। আমরা ঠিক সেটিই করছি।’ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে এবং বিষয়টি দুই দেশের চলমান সম্পৃক্ততার অংশ।হুমায়ুন কবির বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ–অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা কয়েকটি মামলার বিচারিক কার্যক্রম ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে এবং আরও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন। তিনি বলেন, সুতরাং, এগুলো নতুন কোনো শর্ত বা নতুন ধরনের সম্পৃক্ততার বিষয় নয়; এগুলো চলমান বিষয়।ভারতে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা এবং অন্য কথিত অপরাধীদের ফিরিয়ে আনার বিষয়টি বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা ও অনুভূতির সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আরও অনেক অপরাধী ভারতে পালিয়ে গেছে। এটি বাংলাদেশের জনগণের স্বাভাবিক দাবি এবং তাদের অনুভূতির বিষয়। আমরা এই প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে চাই।’

মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, আরও পরিবর্তনের সম্ভাবনা

সরকারের ছয় মাসের মাথায় মন্ত্রিসভার প্রথম রদবদল হয়েছে। শুক্রবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথের পরপরই তিনজন নতুন পূর্ণ মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। একজন প্রতিমন্ত্রীকে পূর্ণ মন্ত্রী করা হয়েছে। একই সঙ্গে একজন মন্ত্রীর দপ্তর বদল এবং আরেকজনকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা করা হয়েছে।এই রদবদল নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। সরকার-সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ এটিকে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ছয় মাসের কর্মমূল্যায়নের প্রাথমিক ফল হিসেবে দেখছেন। আবার কেউ কেউ এটাকে কয়েকটি শূন্য পদ পূরণ, দপ্তর পুনর্বণ্টন ও রাজনৈতিক সমন্বয়ের উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।এর মধ্যেই আবার মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দায়িত্বশীল একটি সূত্র বলছে, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আরেক দফা পরিবর্তন হতে পারে। তবে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের আলোচনায় তা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গড়ানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।গত শুক্রবারের পরিবর্তনের পর প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১ জনে। প্রধানমন্ত্রী ছাড়া পূর্ণ মন্ত্রী ২৬ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ২৪ জন। মন্ত্রিসভার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রয়েছেন ১১ জন। তাঁদের মধ্যে ছয়জন মন্ত্রীর পদমর্যাদায় এবং পাঁচজন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করছেন।

​এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের আতঙ্ক দূর করতে কঠোর আইনি ব্যবস্থার দাবি স্থানীয়দের / দাগনভূঞায় চোর চক্রের ৩ সদস্যকে হাতেনাতে ধরে গণধোলাই

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের  উত্তর বারাহী গোবিন্দ এলাকায় চুরির মহোৎসব চালানো একটি সংঘবদ্ধ চক্রের তিন সদস্যকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। ১৯ আগস্ট বিকেলে একটি বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে স্থানীয়দের সাহসিকতা ও প্রতিরোধে ধরা পড়ে গণধোলাই  দিয়ে পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের থানায় নিয়ে যান।​আটককৃত চোর চক্রের সদস্যরা হলেন তরদ্দী মোল্লা বাড়ির আবু তাহেরের ছেলে শাহজাহান, শফিকের ছেলে ফয়সাল এবং বাবুলের ছেলে জহির আহমেদ। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই চক্রটির বেপরোয়া চুরির কারণে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও নিরাপত্তা চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছিল। তাদের অত্যায়ে পুরো এলাকাবাসী সবসময় এক ধরণের আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ আগস্ট বিকেলে উত্তর বারাহী গোবিন্দ গ্রামের মনছুর মিয়ার বাড়িতে চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করে ওই চক্রটি। তাদের গতিবিধি ও আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় স্থানীয় লোকজন দ্রুত একত্রিত হয়ে তাদের ঘিরে ফেলেন। পরবর্তীতে ধাওয়া দিয়ে তিনজনকে হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হন তারা। এর আগে একই এলাকার আলম মাঝি বাড়ির নুরুল আফছারের ঘরে সুকৌশলে প্রবেশ করে তারা ৬ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুধু মনছুর মিয়া বা নুরুল আফছারই নন এই চক্রটি পুরো উত্তর বারাহী গোবিন্দ এলাকায় একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। সাম্প্রতিক সময়ে একই এলাকার শেরাজ মিয়ার বাড়ি, মৃত মজু মিয়ার বাড়ি, মনির আহম্মদের ঘর, পণ্ডিত বাড়ির ইয়াছিন এবং রায়হানের ঘরেও চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনা ঘটায় এই চক্রটি। বিশেষ করে ছেরাজ মিয়ার বাড়িতে চুরির সময় অপরাধীরা সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে প্রমাণ মুছে ফেলার চেষ্টা চালায়। তবে পরবর্তীতে ওই বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করেই এই অপরাধীদের স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়।ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা জানান, আটককৃত শাহজাহান, ফয়সাল ও জহিরের বিরুদ্ধে দাগনভূঞা থানায় এর আগেও একাধিক চুরির মামলা রয়েছে। বারবার আইনের ফাঁকফোকর গলে বের হয়ে এসে তারা আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ত। এলাকার মানুষ তাদের এহেন কার্যকলাপে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। অবশেষে স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রতিরোধ ও সাহসিকতার কারণে এই চক্রটিকে পাকড়াও করা সম্ভব হলো। এলাকাবাসী এই ঘটনার সাথে জড়িত বাকি সহযোগীদেরও দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।​এ বিষয়ে দাগনভূঞা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ফয়জুল আজিম নোমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এলাকাবাসীর মাধ্যমে চোর আটকের খবর পাওয়ার সাথে সাথেই পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। স্থানীয়রা তাদের আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে তীব্র গতিতে চলছে।​পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং এই চক্রের সাথে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না বা চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

​এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের আতঙ্ক দূর করতে কঠোর আইনি ব্যবস্থার দাবি স্থানীয়দের / দাগনভূঞায় চোর চক্রের ৩ সদস্যকে হাতেনাতে ধরে গণধোলাই

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের  উত্তর বারাহী গোবিন্দ এলাকায় চুরির মহোৎসব চালানো একটি সংঘবদ্ধ চক্রের তিন সদস্যকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। ১৯ আগস্ট বিকেলে একটি বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে স্থানীয়দের সাহসিকতা ও প্রতিরোধে ধরা পড়ে গণধোলাই  দিয়ে পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের থানায় নিয়ে যান।​আটককৃত চোর চক্রের সদস্যরা হলেন তরদ্দী মোল্লা বাড়ির আবু তাহেরের ছেলে শাহজাহান, শফিকের ছেলে ফয়সাল এবং বাবুলের ছেলে জহির আহমেদ। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই চক্রটির বেপরোয়া চুরির কারণে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও নিরাপত্তা চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছিল। তাদের অত্যায়ে পুরো এলাকাবাসী সবসময় এক ধরণের আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ আগস্ট বিকেলে উত্তর বারাহী গোবিন্দ গ্রামের মনছুর মিয়ার বাড়িতে চুরির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করে ওই চক্রটি। তাদের গতিবিধি ও আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় স্থানীয় লোকজন দ্রুত একত্রিত হয়ে তাদের ঘিরে ফেলেন। পরবর্তীতে ধাওয়া দিয়ে তিনজনকে হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হন তারা। এর আগে একই এলাকার আলম মাঝি বাড়ির নুরুল আফছারের ঘরে সুকৌশলে প্রবেশ করে তারা ৬ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুধু মনছুর মিয়া বা নুরুল আফছারই নন এই চক্রটি পুরো উত্তর বারাহী গোবিন্দ এলাকায় একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। সাম্প্রতিক সময়ে একই এলাকার শেরাজ মিয়ার বাড়ি, মৃত মজু মিয়ার বাড়ি, মনির আহম্মদের ঘর, পণ্ডিত বাড়ির ইয়াছিন এবং রায়হানের ঘরেও চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনা ঘটায় এই চক্রটি। বিশেষ করে ছেরাজ মিয়ার বাড়িতে চুরির সময় অপরাধীরা সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে প্রমাণ মুছে ফেলার চেষ্টা চালায়। তবে পরবর্তীতে ওই বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করেই এই অপরাধীদের স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়।ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা জানান, আটককৃত শাহজাহান, ফয়সাল ও জহিরের বিরুদ্ধে দাগনভূঞা থানায় এর আগেও একাধিক চুরির মামলা রয়েছে। বারবার আইনের ফাঁকফোকর গলে বের হয়ে এসে তারা আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ত। এলাকার মানুষ তাদের এহেন কার্যকলাপে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। অবশেষে স্থানীয়দের সম্মিলিত প্রতিরোধ ও সাহসিকতার কারণে এই চক্রটিকে পাকড়াও করা সম্ভব হলো। এলাকাবাসী এই ঘটনার সাথে জড়িত বাকি সহযোগীদেরও দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।​এ বিষয়ে দাগনভূঞা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ফয়জুল আজিম নোমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এলাকাবাসীর মাধ্যমে চোর আটকের খবর পাওয়ার সাথে সাথেই পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। স্থানীয়রা তাদের আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে তীব্র গতিতে চলছে।​পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং এই চক্রের সাথে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না বা চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

​ফেনীতে মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ গঠনে সিভিল সোসাইটির সাথে মতবিনিময় ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত

​মাদকমুক্ত একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনের লক্ষ্যে ফেনী জেলার সিভিল সোসাইটির সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা ও বর্ণাঢ্য মাদকবিরোধী র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।​গত ১৯ আগস্ট বিকেল ৩টায় শুরু হয়ে ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচি পালিত হয়। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও পবিত্র গীতা পাঠ করা হয়। সভা শেষে পুলিশ লাইন থেকে একটি মাদকবিরোধী র‍্যালি বের হয়ে গ্র্যান্ড সুলতান কনভেনশন হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়।​ফেনী জেলা পুলিশের আয়োজনে এই সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী।​বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মনিরা হক এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম এ খালেক। ফেনী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মুঃ সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরা হয়।​সভায় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের পাশাপাশি বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহবায়ক শেখ ফরিদ বাহার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য অধ্যাপক লেয়াকত আলী ভূঁইয়া, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দিন খাঁন নয়ন, স্টার লাইন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান জাফর উদ্দিন, এডভোকেট সমির চন্দ্রকর, ফেনী জজ কোর্টের পিপি এডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন খান, ইসলামী আন্দোলনের জেলা সেক্রেটারি একরামুল হক ভূঁইয়া, জনতার অধিকার পার্টির চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলাম, রেড ক্রিসেন্ট ফেনী জেলা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক ছালা উদ্দিন মামুন, ফেনী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ এনামুল হক, শিক্ষক সমিতির সভাপতি সামসুল হক এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও সাংবাদিক আবু তাহের প্রমুখ।​এছাড়াও অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী হাবিব উল্লাহ মানিক, জেলা যুবদলের সভাপতি নাসির উদ্দিন খন্দকার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইদুর রহমান জুয়েল, জেলা জামায়াতের আমির মুফতি আব্দুল হান্নান,জেলা বিএনপি'র যুগ্ন আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী,হেফাজত ইসলাম ফেনীর সভাপতি মাওলানা ওমর ফারুক, সাংবাদিক ইউনিয়ন ফেনীর সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন ফরায়েজীসহ জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।​বক্তারা ফেনীকে মাদকমুক্ত করতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বাত্মক সহযোগিতার ঘোষণা দেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আলেম-ওলামা ও দ্বীনী শিক্ষার্থীদের ভূমিকা স্মরণে ফেনীতে ইফার আলোচনা সভা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আলেম-ওলামা ও দ্বীনী শিক্ষার্থীদের অবদান স্মরণ এবং দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় ফেনীতে আলোচনা সভা, পবিত্র কোরআন খতম ও বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন ফেনী জেলা কার্যালয়ের মিলনায়তনে "জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দ্বীনী শিক্ষার্থী ও আলেম-ওলামার ভূমিকা" শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ফেনী জেলা কার্যালয়।ইসলামিক ফাউন্ডেশন ফেনী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. নাজমুস সাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দ্বীনী শিক্ষার্থী ও আলেম-ওলামাদের ভূমিকা ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। দেশ ও সমাজে ন্যায়, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ধর্মীয় নেতৃত্বের দায়িত্ব আরও সুদৃঢ় করতে হবে।আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি ফেনী জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা শাহ মুহাম্মদ ইয়াছিন, সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা জাকির হোসেন এবং নোয়াপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দল ফেনী জেলার সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মো. আবু বকর সিদ্দিক।বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দেশের আলেম-ওলামা ও দ্বীনী শিক্ষার্থীরা ন্যায় ও সত্যের পক্ষে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। সেই চেতনা ধারণ করে দেশপ্রেম, সম্প্রীতি ও নৈতিক সমাজ বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।আলোচনা শেষে পবিত্র কোরআন খতম সম্পন্ন হয়। পরে দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন জেলা মডেল মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মুফতি মোয়াজ্জম হোসেন।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন ফেনী জেলা কার্যালয়ের হিসাবরক্ষক মো. হেলাল উদ্দিন। এতে জেলার আলেম-ওলামা, ইমাম, দ্বীনী শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

বিগত ১৭ বছরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।রোববার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রথম কর্মদিবসে স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, গত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনার কারণে দেশের দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। আমার মূল লক্ষ্য হবে দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন পূরণ এবং তাদের কাছে সরকারি সেবা যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত করে এর পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রায় ৫০টি মন্ত্রণালয় রয়েছে। তবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় অন্য মন্ত্রণালয়গুলোর তুলনায় ব্যতিক্রম। কারণ, সরকারের মূল উদ্দেশ্য জনগণের সেবা করা এবং এ মন্ত্রণালয় সরাসরি জনগণের সঙ্গে কাজ করে। স্থানীয় সরকারব্যবস্থা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি সঠিকভাবে কাজ করলে রাষ্ট্রের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাও কার্যকর হবে।তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় জনগণের কাছে সঠিকভাবে সেবা পৌঁছে দিতে পারলে এর সুফল পুরো দেশ ও সরকার পাবে। এই লক্ষ্য নিয়েই আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। স্থানীয় সরকার বিষয়ে অভিজ্ঞ প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের কাছ থেকেও তিনি অনেক কিছু শিখবেন বলে মন্তব্য করেন।কর্মকর্তাদের উদ্দেশে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, সরকার অত্যন্ত ক্ষমতাশালী হলেও এই ক্ষমতা সরকারের নিজস্ব নয়। জনগণই এ ক্ষমতার উৎস। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণ যাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় পাঠায়, তারাই সরকার পরিচালনা করেন। জনগণের দেওয়া সেই ক্ষমতা যথাযথভাবে ব্যবহার করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, দেশের সচ্ছল মানুষ নিজেদের অনেক প্রয়োজন নিজেরাই পূরণ করতে পারেন। কিন্তু দরিদ্র মানুষ সরকারি সহায়তা ও সেবার ওপর বেশি নির্ভরশীল। তাই তাদের অধিকার ও প্রয়োজন নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশে এখনো বিপুলসংখ্যক মানুষ কোনো না কোনোভাবে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। বিগত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনায় দরিদ্র মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাদের জীবনমান উন্নয়নে তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।নিজের রাজনৈতিক আদর্শের প্রসঙ্গ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম জড়িয়ে আছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতি যখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় ছিল, তখন জিয়াউর রহমান সাহসের সঙ্গে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং সম্মুখ সমরে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশবাসী তাকে ‘বীর উত্তম’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।তিনি বলেন, তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাধ্যমে রাজনীতিতে এসেছিলেন এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন ছিলেন।স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া নিজের জন্য একটি গুরুদায়িত্ব উল্লেখ করে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, জনগণের সঙ্গে মিশে, তাদের কাতারে দাঁড়িয়ে এবং প্রতিমন্ত্রীর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি দেশের সেবা করতে চান।এ সময় মন্ত্রী অতীতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তখন বিচারকদের স্বাধীনভাবে রায় লেখার সুযোগ ছিল না। মন্ত্রণালয় থেকে রায় লিখে দেওয়া হতো। আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে জনগণের কাছে কার্যকরভাবে সেবা পৌঁছে দিতে চাই৷ এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য তাড়াহুড়া নেই: হুমায়ুন কবির

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য তাড়াহুড়া নেই: হুমায়ুন কবির

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য কোনো তাড়াহুড়া নেই বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় অগ্রগতি হওয়ার পর উপযুক্ত সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করবেন। তবে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে।আজ শনিবার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।গতকাল শুক্রবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ রাখব। আমরা একটি ইতিবাচক সম্পর্ক চাই। তবে তা করতে হবে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে।’ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ঢাকা নয়াদিল্লির সঙ্গে ইতিবাচক ও কার্যকর সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তবে বাংলাদেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে এ ধরনের সম্পৃক্ততা হতে পারে না।হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে একটি ইতিবাচক সম্পর্ক চাই। কেন চাইব না? তারা আমাদের প্রতিবেশী। আমাদের একটি কার্যকর সম্পর্ক থাকা উচিত।’ তিনি আরও বলেন, ‘শুধু ভারতের সঙ্গে নয়, কোনো দেশের সঙ্গেই আমরা আমাদের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে আপস করে কিছু করতে পারি না।’প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের সময়সূচি সম্পর্কে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারপ্রধান পর্যায়ে সফরের জন্য তাড়াহুড়া করার কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, ‘আগামীকাল যদি আমরা আমাদের জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারি, তাহলে আগামী সপ্তাহে বা তার পরের সপ্তাহেই আমরা যেতে পারি। এখানে কোনো তাড়াহুড়া নেই।’হুমায়ুন কবির বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের সফরের জন্য যথাযথ প্রস্তুতি, গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা এবং প্রয়োজনীয় পূর্বপ্রস্তুতি দরকার। তিনি বলেন, দুই দেশের সরকারপ্রধানের বৈঠকের আগে উভয় পক্ষকে প্রয়োজনীয় ভিত্তি তৈরি করতে হবে। আমরা ঠিক সেটিই করছি।’ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে এবং বিষয়টি দুই দেশের চলমান সম্পৃক্ততার অংশ।হুমায়ুন কবির বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ–অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা কয়েকটি মামলার বিচারিক কার্যক্রম ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে এবং আরও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন। তিনি বলেন, সুতরাং, এগুলো নতুন কোনো শর্ত বা নতুন ধরনের সম্পৃক্ততার বিষয় নয়; এগুলো চলমান বিষয়।ভারতে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা এবং অন্য কথিত অপরাধীদের ফিরিয়ে আনার বিষয়টি বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা ও অনুভূতির সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আরও অনেক অপরাধী ভারতে পালিয়ে গেছে। এটি বাংলাদেশের জনগণের স্বাভাবিক দাবি এবং তাদের অনুভূতির বিষয়। আমরা এই প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে চাই।’

মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, আরও পরিবর্তনের সম্ভাবনা

মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, আরও পরিবর্তনের সম্ভাবনা

সরকারের ছয় মাসের মাথায় মন্ত্রিসভার প্রথম রদবদল হয়েছে। শুক্রবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথের পরপরই তিনজন নতুন পূর্ণ মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। একজন প্রতিমন্ত্রীকে পূর্ণ মন্ত্রী করা হয়েছে। একই সঙ্গে একজন মন্ত্রীর দপ্তর বদল এবং আরেকজনকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা করা হয়েছে।এই রদবদল নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। সরকার-সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ এটিকে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ছয় মাসের কর্মমূল্যায়নের প্রাথমিক ফল হিসেবে দেখছেন। আবার কেউ কেউ এটাকে কয়েকটি শূন্য পদ পূরণ, দপ্তর পুনর্বণ্টন ও রাজনৈতিক সমন্বয়ের উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।এর মধ্যেই আবার মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দায়িত্বশীল একটি সূত্র বলছে, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আরেক দফা পরিবর্তন হতে পারে। তবে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের আলোচনায় তা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গড়ানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।গত শুক্রবারের পরিবর্তনের পর প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১ জনে। প্রধানমন্ত্রী ছাড়া পূর্ণ মন্ত্রী ২৬ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ২৪ জন। মন্ত্রিসভার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রয়েছেন ১১ জন। তাঁদের মধ্যে ছয়জন মন্ত্রীর পদমর্যাদায় এবং পাঁচজন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করছেন।

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

বিগত ১৭ বছরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।রোববার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রথম কর্মদিবসে স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, গত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনার কারণে দেশের দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। আমার মূল লক্ষ্য হবে দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন পূরণ এবং তাদের কাছে সরকারি সেবা যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত করে এর পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রায় ৫০টি মন্ত্রণালয় রয়েছে। তবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় অন্য মন্ত্রণালয়গুলোর তুলনায় ব্যতিক্রম। কারণ, সরকারের মূল উদ্দেশ্য জনগণের সেবা করা এবং এ মন্ত্রণালয় সরাসরি জনগণের সঙ্গে কাজ করে। স্থানীয় সরকারব্যবস্থা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি সঠিকভাবে কাজ করলে রাষ্ট্রের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাও কার্যকর হবে।তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় জনগণের কাছে সঠিকভাবে সেবা পৌঁছে দিতে পারলে এর সুফল পুরো দেশ ও সরকার পাবে। এই লক্ষ্য নিয়েই আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। স্থানীয় সরকার বিষয়ে অভিজ্ঞ প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের কাছ থেকেও তিনি অনেক কিছু শিখবেন বলে মন্তব্য করেন।কর্মকর্তাদের উদ্দেশে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, সরকার অত্যন্ত ক্ষমতাশালী হলেও এই ক্ষমতা সরকারের নিজস্ব নয়। জনগণই এ ক্ষমতার উৎস। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণ যাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় পাঠায়, তারাই সরকার পরিচালনা করেন। জনগণের দেওয়া সেই ক্ষমতা যথাযথভাবে ব্যবহার করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, দেশের সচ্ছল মানুষ নিজেদের অনেক প্রয়োজন নিজেরাই পূরণ করতে পারেন। কিন্তু দরিদ্র মানুষ সরকারি সহায়তা ও সেবার ওপর বেশি নির্ভরশীল। তাই তাদের অধিকার ও প্রয়োজন নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশে এখনো বিপুলসংখ্যক মানুষ কোনো না কোনোভাবে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। বিগত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনায় দরিদ্র মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাদের জীবনমান উন্নয়নে তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।নিজের রাজনৈতিক আদর্শের প্রসঙ্গ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম জড়িয়ে আছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতি যখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় ছিল, তখন জিয়াউর রহমান সাহসের সঙ্গে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং সম্মুখ সমরে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশবাসী তাকে ‘বীর উত্তম’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।তিনি বলেন, তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাধ্যমে রাজনীতিতে এসেছিলেন এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন ছিলেন।স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া নিজের জন্য একটি গুরুদায়িত্ব উল্লেখ করে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, জনগণের সঙ্গে মিশে, তাদের কাতারে দাঁড়িয়ে এবং প্রতিমন্ত্রীর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি দেশের সেবা করতে চান।এ সময় মন্ত্রী অতীতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তখন বিচারকদের স্বাধীনভাবে রায় লেখার সুযোগ ছিল না। মন্ত্রণালয় থেকে রায় লিখে দেওয়া হতো। আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে জনগণের কাছে কার্যকরভাবে সেবা পৌঁছে দিতে চাই৷ এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

বিগত ১৭ বছরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।রোববার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রথম কর্মদিবসে স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, গত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনার কারণে দেশের দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। আমার মূল লক্ষ্য হবে দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন পূরণ এবং তাদের কাছে সরকারি সেবা যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত করে এর পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রায় ৫০টি মন্ত্রণালয় রয়েছে। তবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় অন্য মন্ত্রণালয়গুলোর তুলনায় ব্যতিক্রম। কারণ, সরকারের মূল উদ্দেশ্য জনগণের সেবা করা এবং এ মন্ত্রণালয় সরাসরি জনগণের সঙ্গে কাজ করে। স্থানীয় সরকারব্যবস্থা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি সঠিকভাবে কাজ করলে রাষ্ট্রের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাও কার্যকর হবে।তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় জনগণের কাছে সঠিকভাবে সেবা পৌঁছে দিতে পারলে এর সুফল পুরো দেশ ও সরকার পাবে। এই লক্ষ্য নিয়েই আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। স্থানীয় সরকার বিষয়ে অভিজ্ঞ প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের কাছ থেকেও তিনি অনেক কিছু শিখবেন বলে মন্তব্য করেন।কর্মকর্তাদের উদ্দেশে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, সরকার অত্যন্ত ক্ষমতাশালী হলেও এই ক্ষমতা সরকারের নিজস্ব নয়। জনগণই এ ক্ষমতার উৎস। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণ যাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় পাঠায়, তারাই সরকার পরিচালনা করেন। জনগণের দেওয়া সেই ক্ষমতা যথাযথভাবে ব্যবহার করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, দেশের সচ্ছল মানুষ নিজেদের অনেক প্রয়োজন নিজেরাই পূরণ করতে পারেন। কিন্তু দরিদ্র মানুষ সরকারি সহায়তা ও সেবার ওপর বেশি নির্ভরশীল। তাই তাদের অধিকার ও প্রয়োজন নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশে এখনো বিপুলসংখ্যক মানুষ কোনো না কোনোভাবে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। বিগত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনায় দরিদ্র মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাদের জীবনমান উন্নয়নে তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।নিজের রাজনৈতিক আদর্শের প্রসঙ্গ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম জড়িয়ে আছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতি যখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় ছিল, তখন জিয়াউর রহমান সাহসের সঙ্গে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং সম্মুখ সমরে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশবাসী তাকে ‘বীর উত্তম’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।তিনি বলেন, তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাধ্যমে রাজনীতিতে এসেছিলেন এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন ছিলেন।স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া নিজের জন্য একটি গুরুদায়িত্ব উল্লেখ করে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, জনগণের সঙ্গে মিশে, তাদের কাতারে দাঁড়িয়ে এবং প্রতিমন্ত্রীর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি দেশের সেবা করতে চান।এ সময় মন্ত্রী অতীতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তখন বিচারকদের স্বাধীনভাবে রায় লেখার সুযোগ ছিল না। মন্ত্রণালয় থেকে রায় লিখে দেওয়া হতো। আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে জনগণের কাছে কার্যকরভাবে সেবা পৌঁছে দিতে চাই৷ এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

বিগত ১৭ বছরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।রোববার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রথম কর্মদিবসে স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, গত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনার কারণে দেশের দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। আমার মূল লক্ষ্য হবে দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন পূরণ এবং তাদের কাছে সরকারি সেবা যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত করে এর পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রায় ৫০টি মন্ত্রণালয় রয়েছে। তবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় অন্য মন্ত্রণালয়গুলোর তুলনায় ব্যতিক্রম। কারণ, সরকারের মূল উদ্দেশ্য জনগণের সেবা করা এবং এ মন্ত্রণালয় সরাসরি জনগণের সঙ্গে কাজ করে। স্থানীয় সরকারব্যবস্থা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি সঠিকভাবে কাজ করলে রাষ্ট্রের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাও কার্যকর হবে।তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় জনগণের কাছে সঠিকভাবে সেবা পৌঁছে দিতে পারলে এর সুফল পুরো দেশ ও সরকার পাবে। এই লক্ষ্য নিয়েই আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। স্থানীয় সরকার বিষয়ে অভিজ্ঞ প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের কাছ থেকেও তিনি অনেক কিছু শিখবেন বলে মন্তব্য করেন।কর্মকর্তাদের উদ্দেশে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, সরকার অত্যন্ত ক্ষমতাশালী হলেও এই ক্ষমতা সরকারের নিজস্ব নয়। জনগণই এ ক্ষমতার উৎস। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণ যাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় পাঠায়, তারাই সরকার পরিচালনা করেন। জনগণের দেওয়া সেই ক্ষমতা যথাযথভাবে ব্যবহার করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, দেশের সচ্ছল মানুষ নিজেদের অনেক প্রয়োজন নিজেরাই পূরণ করতে পারেন। কিন্তু দরিদ্র মানুষ সরকারি সহায়তা ও সেবার ওপর বেশি নির্ভরশীল। তাই তাদের অধিকার ও প্রয়োজন নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশে এখনো বিপুলসংখ্যক মানুষ কোনো না কোনোভাবে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। বিগত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনায় দরিদ্র মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাদের জীবনমান উন্নয়নে তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।নিজের রাজনৈতিক আদর্শের প্রসঙ্গ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম জড়িয়ে আছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতি যখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় ছিল, তখন জিয়াউর রহমান সাহসের সঙ্গে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং সম্মুখ সমরে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশবাসী তাকে ‘বীর উত্তম’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।তিনি বলেন, তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাধ্যমে রাজনীতিতে এসেছিলেন এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন ছিলেন।স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া নিজের জন্য একটি গুরুদায়িত্ব উল্লেখ করে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, জনগণের সঙ্গে মিশে, তাদের কাতারে দাঁড়িয়ে এবং প্রতিমন্ত্রীর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি দেশের সেবা করতে চান।এ সময় মন্ত্রী অতীতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তখন বিচারকদের স্বাধীনভাবে রায় লেখার সুযোগ ছিল না। মন্ত্রণালয় থেকে রায় লিখে দেওয়া হতো। আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে জনগণের কাছে কার্যকরভাবে সেবা পৌঁছে দিতে চাই৷ এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

বিগত ১৭ বছরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।রোববার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রথম কর্মদিবসে স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, গত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনার কারণে দেশের দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। আমার মূল লক্ষ্য হবে দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন পূরণ এবং তাদের কাছে সরকারি সেবা যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত করে এর পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রায় ৫০টি মন্ত্রণালয় রয়েছে। তবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় অন্য মন্ত্রণালয়গুলোর তুলনায় ব্যতিক্রম। কারণ, সরকারের মূল উদ্দেশ্য জনগণের সেবা করা এবং এ মন্ত্রণালয় সরাসরি জনগণের সঙ্গে কাজ করে। স্থানীয় সরকারব্যবস্থা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি সঠিকভাবে কাজ করলে রাষ্ট্রের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাও কার্যকর হবে।তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় জনগণের কাছে সঠিকভাবে সেবা পৌঁছে দিতে পারলে এর সুফল পুরো দেশ ও সরকার পাবে। এই লক্ষ্য নিয়েই আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। স্থানীয় সরকার বিষয়ে অভিজ্ঞ প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের কাছ থেকেও তিনি অনেক কিছু শিখবেন বলে মন্তব্য করেন।কর্মকর্তাদের উদ্দেশে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, সরকার অত্যন্ত ক্ষমতাশালী হলেও এই ক্ষমতা সরকারের নিজস্ব নয়। জনগণই এ ক্ষমতার উৎস। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণ যাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় পাঠায়, তারাই সরকার পরিচালনা করেন। জনগণের দেওয়া সেই ক্ষমতা যথাযথভাবে ব্যবহার করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, দেশের সচ্ছল মানুষ নিজেদের অনেক প্রয়োজন নিজেরাই পূরণ করতে পারেন। কিন্তু দরিদ্র মানুষ সরকারি সহায়তা ও সেবার ওপর বেশি নির্ভরশীল। তাই তাদের অধিকার ও প্রয়োজন নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশে এখনো বিপুলসংখ্যক মানুষ কোনো না কোনোভাবে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। বিগত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনায় দরিদ্র মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাদের জীবনমান উন্নয়নে তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।নিজের রাজনৈতিক আদর্শের প্রসঙ্গ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম জড়িয়ে আছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতি যখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় ছিল, তখন জিয়াউর রহমান সাহসের সঙ্গে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং সম্মুখ সমরে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশবাসী তাকে ‘বীর উত্তম’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।তিনি বলেন, তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাধ্যমে রাজনীতিতে এসেছিলেন এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন ছিলেন।স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া নিজের জন্য একটি গুরুদায়িত্ব উল্লেখ করে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, জনগণের সঙ্গে মিশে, তাদের কাতারে দাঁড়িয়ে এবং প্রতিমন্ত্রীর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি দেশের সেবা করতে চান।এ সময় মন্ত্রী অতীতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তখন বিচারকদের স্বাধীনভাবে রায় লেখার সুযোগ ছিল না। মন্ত্রণালয় থেকে রায় লিখে দেওয়া হতো। আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে জনগণের কাছে কার্যকরভাবে সেবা পৌঁছে দিতে চাই৷ এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

বিগত ১৭ বছরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।রোববার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রথম কর্মদিবসে স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, গত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনার কারণে দেশের দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। আমার মূল লক্ষ্য হবে দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন পূরণ এবং তাদের কাছে সরকারি সেবা যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত করে এর পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রায় ৫০টি মন্ত্রণালয় রয়েছে। তবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় অন্য মন্ত্রণালয়গুলোর তুলনায় ব্যতিক্রম। কারণ, সরকারের মূল উদ্দেশ্য জনগণের সেবা করা এবং এ মন্ত্রণালয় সরাসরি জনগণের সঙ্গে কাজ করে। স্থানীয় সরকারব্যবস্থা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি সঠিকভাবে কাজ করলে রাষ্ট্রের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাও কার্যকর হবে।তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় জনগণের কাছে সঠিকভাবে সেবা পৌঁছে দিতে পারলে এর সুফল পুরো দেশ ও সরকার পাবে। এই লক্ষ্য নিয়েই আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। স্থানীয় সরকার বিষয়ে অভিজ্ঞ প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের কাছ থেকেও তিনি অনেক কিছু শিখবেন বলে মন্তব্য করেন।কর্মকর্তাদের উদ্দেশে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, সরকার অত্যন্ত ক্ষমতাশালী হলেও এই ক্ষমতা সরকারের নিজস্ব নয়। জনগণই এ ক্ষমতার উৎস। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণ যাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় পাঠায়, তারাই সরকার পরিচালনা করেন। জনগণের দেওয়া সেই ক্ষমতা যথাযথভাবে ব্যবহার করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, দেশের সচ্ছল মানুষ নিজেদের অনেক প্রয়োজন নিজেরাই পূরণ করতে পারেন। কিন্তু দরিদ্র মানুষ সরকারি সহায়তা ও সেবার ওপর বেশি নির্ভরশীল। তাই তাদের অধিকার ও প্রয়োজন নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশে এখনো বিপুলসংখ্যক মানুষ কোনো না কোনোভাবে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। বিগত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনায় দরিদ্র মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাদের জীবনমান উন্নয়নে তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।নিজের রাজনৈতিক আদর্শের প্রসঙ্গ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম জড়িয়ে আছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতি যখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় ছিল, তখন জিয়াউর রহমান সাহসের সঙ্গে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং সম্মুখ সমরে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশবাসী তাকে ‘বীর উত্তম’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।তিনি বলেন, তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাধ্যমে রাজনীতিতে এসেছিলেন এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন ছিলেন।স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া নিজের জন্য একটি গুরুদায়িত্ব উল্লেখ করে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, জনগণের সঙ্গে মিশে, তাদের কাতারে দাঁড়িয়ে এবং প্রতিমন্ত্রীর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি দেশের সেবা করতে চান।এ সময় মন্ত্রী অতীতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তখন বিচারকদের স্বাধীনভাবে রায় লেখার সুযোগ ছিল না। মন্ত্রণালয় থেকে রায় লিখে দেওয়া হতো। আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে জনগণের কাছে কার্যকরভাবে সেবা পৌঁছে দিতে চাই৷ এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

বিগত ১৭ বছরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।রোববার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রথম কর্মদিবসে স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, গত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনার কারণে দেশের দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। আমার মূল লক্ষ্য হবে দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন পূরণ এবং তাদের কাছে সরকারি সেবা যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত করে এর পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রায় ৫০টি মন্ত্রণালয় রয়েছে। তবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় অন্য মন্ত্রণালয়গুলোর তুলনায় ব্যতিক্রম। কারণ, সরকারের মূল উদ্দেশ্য জনগণের সেবা করা এবং এ মন্ত্রণালয় সরাসরি জনগণের সঙ্গে কাজ করে। স্থানীয় সরকারব্যবস্থা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি সঠিকভাবে কাজ করলে রাষ্ট্রের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাও কার্যকর হবে।তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় জনগণের কাছে সঠিকভাবে সেবা পৌঁছে দিতে পারলে এর সুফল পুরো দেশ ও সরকার পাবে। এই লক্ষ্য নিয়েই আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। স্থানীয় সরকার বিষয়ে অভিজ্ঞ প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের কাছ থেকেও তিনি অনেক কিছু শিখবেন বলে মন্তব্য করেন।কর্মকর্তাদের উদ্দেশে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, সরকার অত্যন্ত ক্ষমতাশালী হলেও এই ক্ষমতা সরকারের নিজস্ব নয়। জনগণই এ ক্ষমতার উৎস। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণ যাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় পাঠায়, তারাই সরকার পরিচালনা করেন। জনগণের দেওয়া সেই ক্ষমতা যথাযথভাবে ব্যবহার করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, দেশের সচ্ছল মানুষ নিজেদের অনেক প্রয়োজন নিজেরাই পূরণ করতে পারেন। কিন্তু দরিদ্র মানুষ সরকারি সহায়তা ও সেবার ওপর বেশি নির্ভরশীল। তাই তাদের অধিকার ও প্রয়োজন নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশে এখনো বিপুলসংখ্যক মানুষ কোনো না কোনোভাবে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। বিগত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনায় দরিদ্র মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাদের জীবনমান উন্নয়নে তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।নিজের রাজনৈতিক আদর্শের প্রসঙ্গ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম জড়িয়ে আছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতি যখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় ছিল, তখন জিয়াউর রহমান সাহসের সঙ্গে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং সম্মুখ সমরে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশবাসী তাকে ‘বীর উত্তম’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।তিনি বলেন, তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাধ্যমে রাজনীতিতে এসেছিলেন এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন ছিলেন।স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া নিজের জন্য একটি গুরুদায়িত্ব উল্লেখ করে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, জনগণের সঙ্গে মিশে, তাদের কাতারে দাঁড়িয়ে এবং প্রতিমন্ত্রীর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি দেশের সেবা করতে চান।এ সময় মন্ত্রী অতীতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তখন বিচারকদের স্বাধীনভাবে রায় লেখার সুযোগ ছিল না। মন্ত্রণালয় থেকে রায় লিখে দেওয়া হতো। আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে জনগণের কাছে কার্যকরভাবে সেবা পৌঁছে দিতে চাই৷ এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

সমবায় মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সিদ্দিক আল-মামুন

সমবায় মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সিদ্দিক আল-মামুন

ফেনীর রাজাবীর দীঘির দক্ষিণ পাড়, জেল রোডে অবস্থিত সমবায় সুপার মার্কেট-১ ব্যবসায়ী সমিতির নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাংবাদিক সিদ্দিক আল-মামুন। ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, মার্কেটের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির নথি অনুযায়ী এটি বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাংবাদিক সিদ্দিক আল-মামুন। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মিজানুর রহমান। কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পেয়েছেন নিমাই পাল। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, নতুন কমিটির নেতৃত্বে সমবায় সুপার মার্কেট-১-এর ব্যবসায়িক পরিবেশ আরও সুন্দর ও সুশৃঙ্খল হবে। মার্কেটের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে কমিটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলেও প্রত্যাশা তাদের। নতুন সভাপতি সাংবাদিক সিদ্দিক আল-মামুনের নেতৃত্বে ব্যবসায়ী সমিতির কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন। মার্কেটটি রাজাবীর দীঘির দক্ষিণ পাড়, জেল রোড, ফেনীতে অবস্থিত। নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিতে সভাপতি সিদ্দিক আল-মামুন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান এবং কোষাধ্যক্ষ নিমাই পাল। সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন আহসান উল্লাহ ও নজরুল ইসলাম। সাংগঠনিক দায়িত্বে রয়েছেন সোহেল আহমেদ। সদস্য হিসেবে রয়েছেন সাহাদাত হোসেন ও সাইফুল ইসলাম। কমিটির তালিকায় রিপন পালের একটি পদও উল্লেখ রয়েছে। উপদেষ্টামণ্ডলীতে রয়েছেন ড. সহিদুল ইসলাম, আজাদ, শাহজাহান সাজু, পেয়ার আম্মাদ, ফারুক আহাম্মদ, বাদলীয়, হারুন মুসলিম ও রাখাল বাবু। ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, নতুন কমিটি মার্কেটের শৃঙ্খলা, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে

বিগত ১৭ বছরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।রোববার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রথম কর্মদিবসে স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, গত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনার কারণে দেশের দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। আমার মূল লক্ষ্য হবে দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন পূরণ এবং তাদের কাছে সরকারি সেবা যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত করে এর পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রায় ৫০টি মন্ত্রণালয় রয়েছে। তবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় অন্য মন্ত্রণালয়গুলোর তুলনায় ব্যতিক্রম। কারণ, সরকারের মূল উদ্দেশ্য জনগণের সেবা করা এবং এ মন্ত্রণালয় সরাসরি জনগণের সঙ্গে কাজ করে। স্থানীয় সরকারব্যবস্থা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি সঠিকভাবে কাজ করলে রাষ্ট্রের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাও কার্যকর হবে।তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় জনগণের কাছে সঠিকভাবে সেবা পৌঁছে দিতে পারলে এর সুফল পুরো দেশ ও সরকার পাবে। এই লক্ষ্য নিয়েই আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। স্থানীয় সরকার বিষয়ে অভিজ্ঞ প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের কাছ থেকেও তিনি অনেক কিছু শিখবেন বলে মন্তব্য করেন।কর্মকর্তাদের উদ্দেশে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, সরকার অত্যন্ত ক্ষমতাশালী হলেও এই ক্ষমতা সরকারের নিজস্ব নয়। জনগণই এ ক্ষমতার উৎস। নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণ যাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় পাঠায়, তারাই সরকার পরিচালনা করেন। জনগণের দেওয়া সেই ক্ষমতা যথাযথভাবে ব্যবহার করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, দেশের সচ্ছল মানুষ নিজেদের অনেক প্রয়োজন নিজেরাই পূরণ করতে পারেন। কিন্তু দরিদ্র মানুষ সরকারি সহায়তা ও সেবার ওপর বেশি নির্ভরশীল। তাই তাদের অধিকার ও প্রয়োজন নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশে এখনো বিপুলসংখ্যক মানুষ কোনো না কোনোভাবে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। বিগত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনায় দরিদ্র মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাদের জীবনমান উন্নয়নে তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।নিজের রাজনৈতিক আদর্শের প্রসঙ্গ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম জড়িয়ে আছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতি যখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় ছিল, তখন জিয়াউর রহমান সাহসের সঙ্গে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং সম্মুখ সমরে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশবাসী তাকে ‘বীর উত্তম’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।তিনি বলেন, তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাধ্যমে রাজনীতিতে এসেছিলেন এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন ছিলেন।স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া নিজের জন্য একটি গুরুদায়িত্ব উল্লেখ করে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, জনগণের সঙ্গে মিশে, তাদের কাতারে দাঁড়িয়ে এবং প্রতিমন্ত্রীর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি দেশের সেবা করতে চান।এ সময় মন্ত্রী অতীতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তখন বিচারকদের স্বাধীনভাবে রায় লেখার সুযোগ ছিল না। মন্ত্রণালয় থেকে রায় লিখে দেওয়া হতো। আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে জনগণের কাছে কার্যকরভাবে সেবা পৌঁছে দিতে চাই৷ এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হলেন ডা. রুবাইয়াত

অধিদপ্তরের নতুন উপ-পরিচালক (অর্থ) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অধিদপ্তরের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিম। তিনি এ পদে ডা. শেখ ইফতেখার রহমানের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ শাখার যুগ্মসচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিমকে বদলিপূর্বক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (অর্থ) (চলতি দায়িত্ব) পদে পদায়ন করা হয়েছে।একই প্রজ্ঞাপনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (অর্থ) হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ডা. শেখ ইফতেখার রহমানকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

ঠোঁট-তালুকাটা শিশুদের বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার কর্মসূচির উদ্বোধন

জন্মগত ঠোঁট ও তালুকাটা শিশুদের জন্য সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে বিনামূল্যে বিশেষ অস্ত্রোপচার কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ।শনিবার (১৮ জুলাই) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার শিশু ঠোঁট বা তালুকাটা সমস্যাসহ জন্মগ্রহণ করে। একটি সফল অস্ত্রোপচার একটি শিশুর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সুযোগ সৃষ্টি করে। এ ধরনের জন্মগত ত্রুটি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।তিনি জানান, স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে পর্যায়ক্রমে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের সব কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে উপদেষ্টা সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের কল সেন্টারের উদ্বোধন করেন। এ সময় জনপ্রশাসন ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

প্রথমত, উচ্চ রক্তচাপ কখন হয় এবং এটি আসলে কী তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। সহজ কথায়, এটি এমন একটি স্বাস্থ্যগত অবস্থা যেখানে রক্ত পাম্প করার জন্য হৃদপিণ্ডকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করতে হয়। এর ফলে, শিরাগুলির উপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, যার কারণে তাদের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। গুরুতর ক্ষেত্রে, শিরা ফেটে যেতে পারে, যা মারাত্মক হতে পারে।উচ্চ রক্তচাপের পরিসীমা কতযদি শরীরের রক্তচাপের পরিসীমা ১২০/৮০ মিমি এইচজি হয় তবে তাকে স্বাভাবিক রক্তচাপ বলা হয়। কিন্তু যখন এই পরিসীমা সিস্টোলিক ১৩০/১৩৯ এবং ডায়াস্টোলিক ৮০ থেকে ৯০ মিমি এইচজি-র মধ্যে পড়ে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপের অবস্থা বলা হয়।রক্তচাপের কোন স্তরটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও হার্টঅ্যাটাকের জন্য অনেকাংশে দায়ী। পরিসরের কথা বলতে গেলে, যদি রক্তচাপ ১৪০/৯০ মিমিএইচজি-র উপরে পৌঁছায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত যাতে অবস্থা গুরুতর না হয়।দৃশ্যমান লক্ষণগুলি কী কীরক্তচাপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি কোনও গুরুতর লক্ষণ দেখায় না। এজন্যই একে 'নীরব ঘাতক' বলা হয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখ লাল হওয়া, বুকে ব্যথা, নাক দিয়ে রক্তপাত এবং বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন। অতএব, যদি আপনার রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত আপনার রিডিং পরীক্ষা করে দেখুন এবং গুরুতর অবস্থার ক্ষেত্রে, অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।